পার্থ প্রদীপ সরকার
তোমার অতল চোখে চোখ পড়তেই তলিয়ে যাব, বুঝতে পারি নি !
চোরা চাহনির আড়ালে বেপরোয়া প্রেমের হাতছানি
উপেক্ষা করবো, সাধ্য ছিল না মোটেও!
তাই তো ডুবে গেলাম শেষমেশ, রূপ সাগরের অমিয় সলিলে ।
অঙ্গজুড়ে অনন্ত রূপ-সুধা, যেন অকৃপণ হাতে ঢেলেছেন বিধাতা;
গোলাপরাঙা সিক্ত ওষ্ঠে দিয়েছেন নেশাতুর কমনীয়তা
যার এতটুকু ছোঁয়া ভুলিয়ে দেয় শতাব্দীর কষ্ট !
নিটোল বক্ষ তোমার শিউলি-শুভ্র যুগল হংস
পালকের পরতে পরতে যার প্রশান্তির আসক্তি !
তানপুরা-নিতম্ব যেন শিল্পীর কারুকাজ
তুলির আঁচড় যতনে নেমে গেছে নিটোল দু’পা গড়িয়ে !
দীঘল-কালো কেশরাশি যেন ভেনিজুয়েলার অ্যাঞ্জেল
ইচ্ছে হয় কাছে যাই, ভেজা চুলে গা ভেজাই !
তোমার কন্ঠ যেন চাতকের তৃষ্ণার জল
যার অপেক্ষায় প্রহর গুনি বুকফাটা শূন্যতায়, একফোঁটা বৃষ্টির আশায় !
তোমার মিষ্টি হাসি ক্রমাগত বাড়িয়ে গেছে হৃদয়ের মধুমেহ;
মায়াবী চোখের দুষ্টু ইশারার শায়কে অলিন্দে আমার ক্ষরণ হয়েছে নিয়ত !
বুকের সুগন্ধ স্বপনে ডেকেছে আমায় নিষিদ্ধ বাসনার পথে;
মোহন-রাতের নীরবতা ভেঙ্গে উল্লাসে জেগেছে
নির্মোহ ঘুমে স্তব্ধ হৃদয়ের উদাসী বন্দর
যেখানে নোঙর করে ভালোবাসার তরী, রোজ রাতে !
তোমার প্রেমে বুঁদ হয়ে আমি এক উন্মাদ কবি
যার কাছে তোমার কপোল, নাসিকা, ওষ্ঠ, গ্রীবা- সব যেন একেকটি কবিতা;
আর সবমিলিয়ে তুমিই আমার কাব্যগ্রন্থ!
সংবাদ লাইভ/সাহিত্য


