জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুন্দরবন রক্ষা, সবুজ উদ্ভাবন এবং তরুণদের নেতৃত্বে বন সংরক্ষণের লক্ষ্য নিয়ে খুলনায় শুরু হচ্ছে দুইদিন ব্যাপী জাতীয় ফ্ল্যাগশিপ আয়োজন ‘সুন্দরবন সামিট ২০২৬’। বৃহস্পতিবার (২১ মে) খুলনার জেলখানা ফেরীঘাঁট থেকে সুন্দরবনের পথে যাত্রার মধ্যদিয়ে শুরু হয়েছে এই সামিট।
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সি৩ইআর, মিশন গ্রিন বাংলাদেশ, সাজিদা ফাউন্ডেশন এবং স্বপ্নপুরী কল্যাণ সংস্থার যৌথ আয়োজনে এই সামিটে অংশ নিয়েছেন সারাদেশের তিন শতাধিক পরিবেশ ও জলবায়ুকর্মী। এছাড়াও থাকছেন ভারত, আফগানিস্তান, মিয়ানমার, তিমুর লেস্তে, শ্রীলঙ্কা, নেপালের ১৯ জন জলবায়ু কর্মী।
সামিটের দ্বিতীয় দিন খুলনার সিএসএস আভা সেন্টারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন দেশের প্রখ্যাত জলবায়ুবিদ ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সি৩ইআর-এর উপদেষ্টা ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর শরীফ জামিল, খুলনার জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিসেস হুরে জান্নাত, খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় পরিবেশ অভিভাবকবৃন্দ।
সামিটের বিষয়ে আয়োজক সংস্থা মিশন গ্রিন বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক আহসান রনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুন্দরবন রক্ষা, সবুজ উদ্ভাবন এবং তরুণদের নেতৃত্বে বন সংরক্ষণের লক্ষে আমরা এই আয়োজন করেছি। দুই দিনব্যাপী এই সামিটের গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে “সুন্দরবন গ্রিন ডিক্লারেশন ২০২৬” তৈরি করা হবে। সামিটের শেষদিন গণমাধ্যমের সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণাপত্র তুলে ধরবেন বিশেষজ্ঞরা।


