দেশব্যাপী পুষ্টি সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের গুরুত্ব তুলে ধরার লক্ষ্যে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ প্রোটিন কুকিং চ্যালেঞ্জ-২০২৬’-এর গ্র্যান্ড ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন ঢাকার খন্দকার ফারজানা ইয়াসমিন। প্রথম রানার-আপ হয়েছেন ঢাকার মো. নাহিদ হাসান এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হয়েছেন খুলনার মো. মিরাজুল ইসলাম।
এ ছাড়া সিলেটের প্রেইজি সিনহা এমি চতুর্থ এবং ঢাকার ফারহানা আক্তার নিপা পঞ্চম স্থান অর্জন করেন। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও ট্রফি তুলে দেওয়া হয়।
‘Nourish Your Plate with Protein’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার সিলেট, খুলনা ও ঢাকার আঞ্চলিক পর্ব থেকে সেরা ২০ জন প্রতিযোগী গ্র্যান্ড ফাইনালে অংশ নেন। চূড়ান্ত পর্বে দুটি রাউন্ডে প্রতিযোগীদের রন্ধন দক্ষতা যাচাইয়ের পর বিচারকদের রায়ে সেরা পাঁচজনকে নির্বাচিত করা হয়।
আয়োজকেরা জানান, সুষম খাদ্যে প্রোটিনের গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা তৈরি এবং দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় পোল্ট্রি মাংস, ডিম ও সয়াবিনের বহুমুখী ব্যবহার তুলে ধরাই ছিল এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান। তিনি বলেন, মেধা ও শারীরিক বিকাশের জন্য সুষম খাদ্যে প্রোটিনের বিকল্প নেই। পোল্ট্রি মাংস, ডিম ও সয়াবিন দৈনন্দিন পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী উৎস। এ ধরনের উদ্যোগ মানুষের মধ্যে পুষ্টি সচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখবে।
বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের (বিপিআইসিসি) আহ্বায়ক মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ইউএস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের (ইউএসএসইসি) বাংলাদেশ মার্কেট লিড হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
মসিউর রহমান বলেন, সবার জন্য নিরাপদ ও পর্যাপ্ত প্রোটিন নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন। আঞ্চলিক পর্ব থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত প্রতিযোগীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ উৎসাহব্যঞ্জক।
ইউএসএসইসির বাংলাদেশ মার্কেট লিড হাবিবুর রহমান বলেন, প্রোটিনের ঘাটতি দূর করতে সয়াবিন একটি সাশ্রয়ী ও পুষ্টিকর বিকল্প। সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাসে সয়াবিনের বহুমুখী ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এ ধরনের আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রতিযোগিতায় বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শেফ ও প্রধান বিচারক টনি খান, রন্ধনবিশেষজ্ঞ রাহিমা সুলতানা রীতা এবং পুষ্টিবিদ ও জনস্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসরাত জাহান।


