দীর্ঘ অনেক সময় পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সমাবেশ অনুষ্ঠিত হলো। রাজধানীর আদাবর থানা পর্যায়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও আমীর , ঢাকা মহানগরী উত্তর।
শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দুপুর ২.৩০ ঘটিকায় রাজধানীর শেখেরটেক এলাকায় এই সহযোগী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, আব্দুর রহমান মুসা (কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও নায়েবে আমীর, ঢাকা মহানগরী), ডক্টর রেজাউল করিম (কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সেক্রেটারি, ঢাকা মহানগরী উত্তর), মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন (কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও আমীর, ঢাকা জেলা), জিয়াউল হাসান (কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা ও মহানগরী কর্মপরিশোধ সদস্য)।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্বে ছিলেন আল-আমীন সবুজ, মহানগরী মজলিসের শূরা সদস্য ও আদাবর থানা আমীর।
এসময় প্রধান অতিথির সাথে বিশেষ অতিথিরা তাদের বক্তব্য রাখেন। এসময় মাওলানা দেলোয়ার হোসেন বলেন, “দীর্ঘ পনেরো বছর ধরে একটি শক্তি আমাদের শোষণ করেছিল, ২০০৬ সালের ২৮ শে অক্টোবর পল্টন ময়দানে আমাদের ভাইদেরকে হত্যা করে লাশের উপরে তারা নৃত্য করেছিল, বাংলাদেশ থেকে ইসলামকে মুছে ফেলার জন্য জামায়াতে ইসলামীর ৫ জন আমীরে জামাত সহ নেতাকে তারা ফাঁসি দিয়ে হত্যা করেছে”।
এছাড়াও ডক্টর রেজাউল করিম বলেন, “পূর্বে যদি একটি সমাবেশ করা হতো তাহলে এখানে মানুষের থেকে পুলিশের সংখ্যা বেশি থাকতো, বিভিন্ন বাহিনী মোতায়েন করে জায়গাটিকে কালো করে ফেলা হতো, দাড়ি ও টুপিওয়ালাদের গ্রেফতার করা হতো “। তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগ মানেই হচ্ছে দুর্নীতিবাজ, আওয়ামী লীগ মানেই হচ্ছে নারী নির্যাতন, আওয়ামী লীগ মানেই হচ্ছে ইসলামবিদ্বেষী, আওয়ামী লীগ মানেই হচ্ছে যারা বিগত ১৫ বছর জনগণের ভোট ছাড়া আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কাছে দেশকে বন্ধক রেখে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল”।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সহ বিশেষ অতিথিরা বিগত পনের বছরে আওয়ামী লীগ সরকারের নানান অপকর্মের কথা তুলে ধরেছে।


