২৪-এর বন্যায় চট্টগ্রাম টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ছিল একক ভূমিকায়। ক্যাম্পাসে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন সমাপ্তির পর বন্যায় আক্রান্ত মানুষদের সহযোগিতায় তাৎক্ষণিক এগিয়ে আসে কলেজের শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা।
বন্যার্তদের সহায়তায় টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজে জোরারগঞ্জ, চট্টগ্রাম কর্তৃক পরিচালিত হয় ৭টি আশ্রয় কেন্দ্র। কেন্দ্রগুলো হলো জেবি উচ্চ বিদ্যালয়, জোরারগঞ্জ আদর্শ উচ্চবিদ্যালয়, জোরারগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জোরারগঞ্জ মহিলা কলেজ, মৌলভী নজীর আহমদ মাদ্রাসা ও প্রাইমারি স্কুল এবং বারোইয়ারহাট কলেজ।
৭টি কেন্দ্রে প্রায় সাড়ে তিন হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছিল। তাদের জন্য তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থাও ছিল সেখানে। তাছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রে পরিচালনা করা হয় অনেকগুলো মেডিক্যাল টিম। সরবারাহ করা হয় প্রয়োজনীয় ঔষুধ।
এই পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-ছাত্র-এলামনাই এর উদ্যোগে প্রায় এগারো হাজারের অধিক মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়। তাছাড়া অসংখ্য লোককে উদ্ধার করে তাদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়।
পুরো প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান দিয়েছে জোরারগঞ্জ টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং কলেজ স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, টেক্সটাইল ইন্জিনিয়ারিং ক্লাব, এলামনাইয়ের সদস্যগণ এবং নাম না জানা সিটেকের বাইরের অসংখ্যজন।
উল্লেখ্য, ক্যাম্পাসের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন হিসেবে যুক্ত ছিল অনির্বাণ।


