ইংরেজি বর্ষ ২০২৩ কে বিদায় জানাতে এবং ২০২৪ কে বরণ যখন সারাদেশ ব্যস্ত ছিল, ঠিক তখনই ব্যতিক্রমী কাজে ব্যস্ত একদল শিক্ষার্থী। শিক্ষার্থী পরিচয়ের বাহিরেও তাদের আরেকটি পরিচয় তারা সবাই ছাত্রলীগের নেতা কর্মী। নিজেদের আনন্দ মাতোয়ারার বাহিরে গিয়েও অসহায় ছিন্নমূল মানুষদের পাশে এসে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীরা হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী। থার্টি ফাস্ট নাইটে প্রায় শতাধিক অসহায় ছিন্নমূল মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করেছে তারা। নিজেরা হাত খরচের টাকা বাঁচিয়েই তারা এ উদ্যোগটি নিয়েছে বলেই জানায়। মানবিকতায় পাশে দাঁড়ানো এদের প্রত্যেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতের অনুসারী।
ব্যতিক্রমী আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে ফজলুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের শিক্ষা ও পাঠ চক্র বিষয়ক উপসম্পাদক সাদমান আল রিসান বলেন, ‘নতুন বছরকে বরণ করতে সবাই আনন্দ করছে, কিন্তু অসহায় মানুষদের এই আনন্দ নেই। কিন্তু ছিন্নমূল, দরিদ্র ও অসহায় মানুষেরা দেশ ও সমাজের অংশ। সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে আমরা আমাদের সাধ্যের মধ্যে থেকে খাবার বিতরণ করেছি। নতুন বছরের প্রথম দিনেই আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে পেরে অনেক ভালো লাগছে। আমাদের নতুন বছর তাদের আনন্দের সাথে ভাগ করতে পেরেছি। আমরা চাই ছাত্রলীগের মাধ্যমে যেন সারাবছরই তাদের পাশে থাকতে পারি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সদস্য সৈয়দ নাফিজ চৌধুরী সকাল বলেন, ‘পটকা-আতশবাজি, আড্ডা, গান বাজিয়ে যখন সবাই নতুন বছরকে বরণ করতে ব্যস্ত ছিল কিন্তু অসহায়-উদ্বাস্ত নুষের কাছে কোন আনন্দ ছিল না। অনেক হয়তো না খেয়েই ঘুমিয়ে পড়েছিল, তাদের কথা চিন্তা করেই আমরা অসহায়, ক্ষুধার্ত মানুষের মুখে খাবার তুলে দিয়েছি। তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে যে আনন্দ লেগেছে এরকম আনন্দ সারাবছর পেতে চাই।’
ঢাবির ফজলুর হক শাখা ছাত্রলীগের উপ- সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান শান্ত বলেন, ‘নিজেরা আমরা চাঁদা তুলে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। আমরা অনেকই কত টাকায় না অপচয় করি, কিন্তু আমাদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো উচিত। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মাধ্যমে আমরা ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে একটি বার্তাই দিয়েছি যে ‘মানবতাই শক্তি, মানবতাই মুক্তি’।
সংবাদ লাইভ/ঢাবি


