আমের মৌসুম আসলেই সারাদেশের মানুষের নিকট রাজশাহীর আমের অন্যরকম চাহিদা থাকে। এই মৌসুমে রাজশাহী থেকে অনলাইনে অনেকেই রাজশাহীর আম বিক্রি করে থাকেন। কিন্তু ক্রেতারা নিরাপদ-মানসম্পন্ন আম কিনতে গিয়ে পড়েন নানা দ্বিধাদ্বন্দের মধ্যে। কোথা থেকে আম কিনলে শতভাগ নিরাপদ আম পাওয়া যাবে, কষ্টের টাকায় আম কিনব ভালো আম কার নিকট পাব, ক্রেতাদের এমন অজস্র চিন্তার কথা মাথায় নিয়ে ভেজালমুক্ত আম সরবরাহের লক্ষ্যকে সামনে রেখে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) খাদ্য প্রযুক্তি ও পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগে পড়াশোনা শেষে পুষ্টিবিদ মুরাদ পারভেজ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ম্যাংগো লাভার।
পুষ্টিবিজ্ঞানের ছাত্র হিসেবে নিরাপদ পণ্যের বিষয়টি বরাবরই মাথায় ছিল তার। সততা, মেধা ও পরিশ্রমকে পুঁজি করে ২০২০ সালে তিনি শুরু করেছিলেন অনলাইন আমের হাট। শুরুতেই ক্রেতাদের আস্থার জায়গা দখল করেন। সেই আস্থা অক্ষুণ্ণ রাখতে এবারও সক্ষম তিনি। বিগত বছরের তুলনায় এবার কয়েকগুণ বেড়েছে ক্রেতার সংখ্যা। মাত্র কয়েকদিনে চলতি মৌসুমে ৫৮৭ মণ গোপালভোগ সারাদেশে ক্রেতাদের নিকট পৌঁছে দিয়েছেন তিনি। দেশের ক্রেতার পাশাপাশি বাড়ছে তার প্রবাসী ক্রেতার সংখ্যাও।
পুষ্টিবিদ মুরাদ পারভেজ বলেন, আমের মৌসুম আসলে অনেকেই আমের বিজনেস করে থাকেন। রাজশাহীর সন্তান এবং খাদ্যপ্রযুক্তি ও পুষ্টিবিজ্ঞানের সাবেক ছাত্র হিসেবে আমার একটাই লক্ষ্য সবসময় ছিল আমি যেন সততার সঙ্গে শতভাগ ভেজালমুক্ত আম দিতে পারি। আমার দ্বারা মানুষ যাতে কোনোপ্রকার প্রতারণার শিকার না হয় সে বিষয়টি সবসময়ই মাথায় রেখেছি। ক্রেতারা আম পেয়ে টাকা দিয়েছে। জনপ্রিয়তা এভাবেই বেড়েছে আমার। ক্রেতাদের মন জয় করতে পেরেছি এটাই সবচেয়ে ভালোলাগার বিষয়। আমার বাসা গ্রামে হওয়ার কারণে ক্রেতাদের ভালো আম দিতে পেরেছি। বিগত বছরের তুলনায় এবার বৃষ্টি কম হয়েছে তাই আম একটু ছোট, কিন্তু মিষ্টি।
তিনি আরো বলেন, অনেকসময় কিছু ক্রেতা আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে, আম খেয়ে টাকা দেয়নি। তবুও আমি আমার ভেজালমুক্ত খাদ্য সরবরাহ বন্ধ করিনি। আমি চেষ্টা করছি ক্রেতাদের মন জয় করার। আরো ভালো সেবা কিভাবে দিতে পারি সেটা নিয়েও আমি প্রতিনিয়ত ভাবি।
সংবাদ লাইভ/অনান্য


