ময়মনসিংহ, ২৬ মার্চ ২০২৫: গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণ করে তাদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন (জেডআরএফ)। সংগঠনের সম্মানিত সভাপতি জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনায় এবং নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের তত্ত্বাবধানে ময়মনসিংহ বিভাগের গৌরীপুর, ঈশ্বরগঞ্জ ও নান্দাইল উপজেলায় শহীদ পরিবারের কাছে ঈদ উপহার ও সমবেদনা পত্র পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে গণঅভ্যুত্থানের সময় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, সেই ১২ জন শহীদের পরিবারের কাছে সরাসরি গিয়ে ঈদ উপহার ও তারেক রহমানের স্বাক্ষরিত সমবেদনা পত্র প্রদান করা হয়। এ সময় শহীদদের পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনকে তাদের পাশে থাকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।
জেডআরএফ-এর প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন কৃষিবিদ ড. মোহাম্মদ আকিকুল ইসলাম আকিক। তার সঙ্গে প্রতিনিধি দলে ছিলেন প্রফেসর ড. আসাদুজ্জামান সরকার মিল্টন, প্রফেসর ড. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. আহমদ খায়রুল হাসান বাদল, প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, কৃষিবিদ মো. আতিকুজ্জামান আকন্দ চঞ্চল, কৃষিবিদ মো. আতিকুর রহমান শাহিন ও কৃষিবিদ ড. শাখাওয়াত হোসেন সোহেল।
শহীদ পরিবারের সদস্যরা জানান, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আত্মাহুতি দেওয়া তাদের স্বজনদের জন্য এই সমবেদনা ও সহমর্মিতা তাদের মানসিক শক্তি জোগাবে। তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গণতন্ত্রের বিজয় একদিন আসবেই এবং শহীদদের রক্ত বৃথা যাবে না।
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রতিশ্রুতি দেন ফাউন্ডেশনের নেতারা।
উল্লেখ্য, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে দেশব্যাপী যে গণআন্দোলন হয়েছিল, তাতে পুলিশের গুলিতে বহু মানুষ নিহত হন। ময়মনসিংহের এই ১২ জন শহীদ সেই আন্দোলনের অন্যতম বীর সেনানী ছিলেন। তাদের স্মরণে জেডআরএফ-এর এই মানবিক উদ্যোগ ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে।
ফাউন্ডেশনের নেতারা আশা প্রকাশ করেন, জনগণের ঐক্য ও গণতান্ত্রিক চেতনার ভিত্তিতে বাংলাদেশ একদিন সত্যিকারের গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাবে এবং শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে।


