বাংলাদেশে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) এক ছাত্রী ও শিক্ষককে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা এবং ওই ঘটনার প্রেক্ষিতে ছাত্রীর দেওয়া স্বীকারোক্তির বিষয়ে তদন্তের জন্য ৭ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ মে ২০২৪) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই কমিটির বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ৭ সদস্যের ওই তদন্ত কমিটির সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পশুপুষ্টি বিভাগের অধ্যাপক ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম এবং সদস্য সচিব সহকারী প্রক্টর ও প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. আরিফ সাকিল। এছাড়াও সদস্য হিসেবে আছেন সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রফিকুল আলম, একোয়াকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আলমগীর হোসেন-১, কৃষি অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. হুমাযূন কবির এবং মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ড. আজিমুন নাহার। কমিটিকে আগামী ২(দুই) সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বা সুপারিশ প্রদানের জন্য বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. শফিকুল ইসলাম ও কৃষি অনুষদে অধ্যয়নরত শেখ রোজী জামাল হলের প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে আপত্তিকর অবস্থায় ধরেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষার্থী। গত শনিবার (৪ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগীয় মাঠ ও আমবাগান সংলগ্ন এলাকা থেকে ওই দুজনকে ধরা হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রীকে হলে নিয়ে আসেন। পুরো ঘটনাটিই শনিবার রাত দশটা নাগাদ স্বীকার করে লিখিত স্বীকারোক্তি দেন ওই ছাত্রী।


