ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ (নিটার) এ উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১৫ তম ব্যাচের নবীনবরণ অনুষ্ঠান।
গত ৯ নভেম্বর রবিবার, সকালে ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও কর্মকর্তারা। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন অত্র প্রতিষ্ঠানের সম্মানিত পরিচালক জনাব আশেকুল আলম রানা। অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন।
জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির সূচনা হয়। এরপর পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে শুভ সূচনা হয়। নিটার ক্যাম্পাস নিয়ে একটি তথ্যবহুল ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে নবীন শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস ও অর্জন সম্পর্কে ধারণা লাভ করেন।
অনুষ্ঠানটিতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিটারের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার জনাব নাসির উদ্দিন। তিনি নবীনদের শিক্ষাজীবনের নতুন অধ্যায়ে স্বাগত জানিয়ে সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের পথে এক নতুন যাত্রার আহ্বান করেন।
পরবর্তীতে একে একে বক্তব্য রাখেন বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ। তাঁরা তাঁদের বক্তব্যে নবাগত শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে অধ্যবসায়, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা নবাগতদের জন্য কিছু চমৎকার শিক্ষামূলক কথা নিজের বক্তব্যে রাখেন।
এরপর নবীন শিক্ষার্থীরা তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন, যেখানে তারা নিটারে যোগ দিতে পারার আনন্দ প্রকাশ করেন। সিনিয়র শিক্ষার্থীরাও নবীনদের উদ্দেশ্যে অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, প্রক্টর, হল সুপার এবং লাইব্রেরিয়ান। তাঁরা শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবনের নানা দিক সম্পর্কে মূল্যবান দিকনির্দেশনা দেন। নিটারের বিভিন্ন ক্লাবের কার্যক্রম তুলে ধরা হয় ভিডিও প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে। অনুষ্ঠানের সমাপনী বক্তব্যে পরিচালক জনাব আশেকুল আলম রানা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে সার্বিক কার্যক্রম তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আহ্বায়ক মোহাম্মদ বিল্লাল হোসেন ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দুপুর ১টায় আনুষ্ঠানিক পর্বের সমাপ্তি ঘটে।
পুরো অনুষ্ঠানের সময়টিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ক্লাব পরিচিতিমূলক স্টল উন্মুক্ত করা হয়। নবীন শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্লাবের স্টল পরিদর্শন করে তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে জানেন এবং নিজেদের আগ্রহ অনুযায়ী ক্লাবে যোগদান করেন।
পুরো অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, উচ্ছ্বাস ও ভবিষ্যতের স্বপ্নময় প্রত্যাশা।


