শৈত্য প্রবাহকালে বোরোধানের বীজতলা রক্ষায় ও করণীয়:
১. ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে সকাল ১০ টা হতে সন্ধ্যা পর্যন্ত রাখতে হবে। বীজতলার দুই পান্তের পলিথিন আংশিক খোলা রাখতে হবে;
২. প্রতিদিন সকালে দড়ি টেনে চারার উপরের শিশির ঝরিয়ে দিতে হবে;
৩. বীজতলায় সবসময় ৩-৫ সেন্টিমিটার পানি ধরে রাখতে হবে এবং প্রতিদিন সকালে বীজতলার পানি পরিবর্তন করে দিতে হবে;
৪. ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে সম্ভাব্য রোগ দমনে বীজতলায় মাত্রানুযায়ী ম্যানকোজেব জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন: ডাইথেন এম-৪৫ ব্যবহার করা যেতে পারে:
৫. জমিতে রোপনের জন্য ৩৫-৪৫ দিন বয়সের চারা ব্যবহার করতে হবে; চারার মৃত্যুহার কমাতে হবে;
৬. শৈত্য প্রবাহ শুরু হলে তাপমাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত চারা মূল জমিতে লাগানো যাবে না; ৭. বীজতলার চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতাংশ জমিতে ২৮০ গ্রমি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে এবং এর
পরেও চারা সবুজ না হলে প্রতি শতাংশ জমিতে ৪০০ গ্রাম হারে জিপসাম প্রয়োগ করতে হবে; ৮. প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৭০-৮০ গ্রাম থিওভিট, কুমুলাস ডিএফ, সালফক্স স্প্রে করা যেতে পারে।
ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে রবি ফসলের রোগ দমনে করণীয়:
১. ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে সরিষার প্লটে অল্টারনারিয়া ব্লাইট বা পাতার দাগ পড়া রোগ দমনের জন্য রোভরাল/রোভানন (ইপ্রোডিয়ন) গ্রুপের ছত্রাক নাশক ব্যবহার করা যেতে পারে;
২. ঘন কুয়াশা ও শৈত্য প্রবাহে মসুর, ছোলা, খেসারী এর প্লটে গোড়াপঁচা, স্টেমফাইলাম ব্লাইট ও মরিচা রোগ দমনের জন্য রোভরাল/রোভানন (ইপ্রোডিয়ন), এমিস্টারটপ নামক ছত্রাকনাশক ৭ দিন অন্তর স্প্রে করা যেতে পারে।
আরও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করতে পারেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) কর্মকর্তাদের সাথে:
ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম পিএসও এবং প্রধান, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, বিনা; ০১৫৫৮-৪১৭৬৫১
মোঃ ইব্রাহীম আলী এসও, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, বিনা; ০১৭১০-২৯৮৭০
মোঃ শাহেদ হোসেন এসও, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, বিনা; ০১৭৮৪-০১৫০৩৯
সংবাদ লাইভ/কৃৃষি/সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


