ads
ঢাকামঙ্গলবার , ১৭ জুন ২০২৫
  1. কৃষি ও পরিবেশ
  2. খেলা
  3. জাতীয়
  4. ধর্ম
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. ভ্রমণ
  8. মতামত
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষাঙ্গন
  11. সাক্ষাৎকার
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

ভয়ংকর এক নারী প্রজন্মের অপেক্ষায় আমরা!

মতামত বিভাগ
জুন ১৭, ২০২৫ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডা: এম. এ. মোমেন: ৭৫% উচ্চ শিক্ষিত মেয়ে ২৭ থেকে ৩০ বছর বয়সেও বিয়েহীন। ক্যারিয়ার গড়তে গিয়ে এরা এমন এক সংকট তৈরী করে চলেছে। তাদের তৈরি সংকটের কারণে হয়তো আগামী ৫ বছরে লাখ লাখ মেয়ে বিয়েহীন থাকবে৷ তাদের মধ্যে কেউ কেউ দেশী/বিদেশী বিড়াল কুকুর ছানা অতিযত্নে লালন পালন করে একাকিত্ব ঘোচানোর অপচেষ্টায় নিজেকে ব্যস্ত রাখতে চায়। তাতে অনেক ক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। তাছাড়া কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় পশু প্রেমী মেয়েকে বিবাহ দেওয়ার পর সে তার সাথে পোষা প্রাণি কুকুর বা বিড়ালটি নিয়ে যেতে বায়না ধরে, শর্তারোপ করে বসে অথচ পাত্রের পরিবার কুকুর বা বিড়াল কোনো টাই পচ্ছন্দ করে না। বিধায় তার এই জাতীয় আবদার রাখতে অস্বীকৃতি জানানোর ফলে এবং পাত্রীর পশুর প্রতি প্রেমে অত্যধিক আসক্তির কারণে পরিশেষে বিবাহই সম্পন্ন হয় না, হলেও তা বাসর ঘর অবদি পৌঁছার পূর্বেই বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

কেউ কেউ আধুনিকতার নামে তা করলেও মুসলিম সমাজে তা গ্রহণ যোগ্য নয়। ছোট ছোট ভাই-বোন, অত্যান্ত কাছের আপনজনদের অবুঝ ছোট ছোট সন্তান ক্ষুধা বা অন্য কোনো কারণে কাঁন্না-কাটি করতে করতে মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে কিন্তু পশুপ্রেমী মেয়েটি তাদেরকে কোলে তুলে নিয়ে আদর-যত্ন করে কান্না থামাচ্ছে না অথচ তার পোষা প্রাণি বিড়াল বা কুকুর ছানা কাছে এসে একটু লেজ নাড়ালেই কোলো নিয়ে আদর-যত্ন করার সাথে সাথে অনেক ক্ষেত্রে পোষা পশুর অপবিত্র মুখে চুমা দিতেও কুণ্ঠা ভোদ করে না। তাদের এইরূপ আচরন সুস্থ সমাজে মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিটি প্রাণিরই জন্মগতভাবে দেহের, মনের, হৃদয়ের নানাবিধ চাহিদা নিয়ে জন্মগ্রহণ করে থাকে। এই চাহিদার ধরণ যেমন ভিন্ন ভিন্ন তেমন এই সকল চাহিদা মিঠানোর ধরণ বা পদ্ধতিও ভিন্নতর হয়ে থাকে। তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো যৌবিক চাহিদা প্রতিটি সুস্থ সবল মানব দেহে নির্ধারিত বয়সে প্রাকৃতিকভাবে চলে আসে। মানব দেহের অন্যান্য চাহিদা মিঠানোর বিকল্প পন্থা বা পদ্ধতি থাকলেও দেহের যৌবিক চাহিদা মিঠানোর একটি মাত্র পন্থা বিপরীত লিংগের সংস্পর্শ ছাড়া আর কোনো বিকল্প উপায় নাই। এই যৌবিক চাহিদা ক্রমান্বয়ে এমন এক পর্যায়ে পৌঁছে যায় তখন তা মিঠানোর জন্য পাগল হয়ে পরে। অথচ পূর্ব থেকে ঠিক করা নিজের পায়ে দাঁড়ানো বা সাবলম্বি হওয়ার লক্ষ্যে পৌঁছার পথ তখনও দীর্ঘতম রয়ে যায়। অর্থাৎ দিল্লি অনেক দূর। সেই সময় নারী দেহে নানান ধরণের পরিবর্তন আসে এবং তার কথা-বার্তায়, আচার-আচরণে এবং চলা-ফেরায় বেশ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়।

এইরূপ পরিস্থিতিতে তার পরিবার থেকে বিবাহের প্রস্তাব দেয়া হলেও লক্ষ্যে পৌঁছার অজুহাত দেখিয়ে পরিবারের প্রস্তাব প্রত্যাহার করার পাশাপাশি অতি প্রয়োজনীয় ও অপ্রত্যাহরযোগ্য যৌবিক চাহিদা মিঠানোর বিকল্প পন্থা হিসেবে গোপনে সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য পরক্রিয়া, বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। তাছাড়া অনেকে জ্বলন্ত আগুনে ছাই চাপা দেওয়ার মতো বিভিন্ন নেশা জাতীয় দ্রব্য (সিগারেট, গাঁজা, আফিম, মদ, ইয়াবা, চরুস, শিশা, হিরইন, বাবা, বিভিন্ন প্রকার ড্রাগ ইত্যাদি) গ্রহণ করেও তার যৌবিক চাহিদাকে সাময়িকভাবে চাপা দিতে চেষ্টা করে থাকে। এইরূপ কর্মকান্ড একদিন তার বা তার পরিবারের জীবনে একটি মারাত্নক সামাজিক ব্যাধি হিসেবে আর্বিভূত হয় এবং এইরূপ ব্যাধি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পরে। তারপরও নানান চড়াও-উৎরাও পার করে একটা সময় নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারলেও অনেকটা বিলম্ব হয়ে যাওয়ার কারণে দেহের যৌবিক চাহিদা প্রায় লোপ পেয়ে যায়। তাছাড়াও এই জীবন পরিক্রমায় বিভিন্ন ছাত্রী নিবাস, হোস্টেল, মেছ বা ভাড়া বাসায় নিয়ন্ত্রনহীনভাবে চলা-ফেরার কারণে (গোপন) পরক্রিয়া প্রেম, বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কের কথা পরিবার তথা আসে-পাশের প্রায় সকলেই জেনে যায়। অত:পর একদিকে বয়স বেশী অপর দিকে অগ্রহণযোগ্য বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে জড়ানো ইত্যাদি বিবেচনায় পচ্ছন্দমত পাত্র পাওয়া মুশকিল হয়ে পরে। পরিণামে উপযুক্ত পাত্রের সন্ধান করতে করতে আরও বেশ কিছু সময় ব্যয় করতে হয়। অগত্যা যেনতেন পাত্রের সাথেই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে বাধ্য হয়। এই হেন অবস্থায় একদিকে স্বামী অপচ্ছন্ন অপর দিকে দীর্ঘদিন বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কে জড়িয়ে থাকার কারণে একটা সময় সেইসব নারীরা তাদের যৌবিক বা যৌবনের চাহিদা, আবেগ, ভালোবাসা হারিয়ে নিঃস্বপ্রাণ মেটালের তৈরি ডল বা ‍পুতুলের মত জীবন অতিবাহিত করতে থাকে।

তাছাড়াও ধরা পরার ভয়ে লক্ষ্যে পৌঁছার পূর্ব পর্যন্ত যৌবিক চাহিদা পূরণের জন্য বিবাহ বহির্ভূত শারীরিক সম্পর্ক গোপনে টিকিয়ে রাখার জন্য নানান প্রকার জন্মনিয়ন্ত্রণকারী ঔষধ বা পন্থা ব্যবহার করার কারণে শরীরে নানান প্রকার রোগ-ব্যাধি বাসা বাধে। তাদের কাছে শান্তিময় সংসার জীবন মূখ্য না হয়ে গৌন হিসেবে পরিগনিত হয়। এইরূপ পরিস্থিতিতে ঐসকল নারীরা স্বামীর মন জয় করার পরিবর্তে স্বামীর প্রতিদ্বন্দ্বী হয়েই সংসারের বিভিন্ন খুটি-নাটি বিষয় নিয়ে স্বামী তথা পরিবারের সকলের সাথে দরকষাকষি করবে৷ আর স্বামীও তাদের (স্ত্রীদের) মাঝে আনুগত্য, কোমলত্ব, নারীত্ব না পেয়ে অসহ্য হয়ে উঠবে। এইরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়াতে বিয়ে করার পূর্বের স্বামীর শান্তি প্রিয় সংসারের অশান্তির আগুন দাও দাউ করে জ্বলতে থাকবে। তখন সংসার টিকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়বে।

কারণ তার বিয়ে করা স্ত্রী বিয়ের পূর্বে ৩০ টা বছর পুরুষের ফিতরাতে টেক্কা দিয়ে তার মেয়েলী স্বভাব, আচার-ব্যবহার, কথা-বার্তা, চাল-চলন পরিবর্তন করে সে নিজেই পুরুষে বিবর্তিত হয়ে গেছে। তার আস্ত দেহটাই দেখতে নারীর কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য হলেও। আসলে সে মানসিকভাবে পুরুষ। নানান চরাও-উতরাও পারি দিয়ে দীর্ঘদিন পর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে স্ত্রী হিসেবে স্বামী তাকে দৈহিক ভাবে নারী পেলেও সে মেন্টাল (মানসিক) ভাবে পুরুষ বা অনুভুতিহীন সেক্স ডল ছাড়া আর কিছুই নয়। এমন একটা দিন আসতে যাচ্ছে। সুতরাং অনতিবিলম্বে নিজের পায়ে দাঁড়ানো বা সাবলম্বি হওয়ার চিন্তা মন থেকে মুছে ফেলে সময়ের চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে সময়ের কাজ সময়ের মধ্যে করতে হবে। নতুবা নিকট ভবিষ্যতে এমন একটা সময় আসবে তখন মেয়েরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে যৌবন বা যৌবনের চাহিদা মিঠানো থেকে যেমন বঞ্চিত হবে। তেমন বঞ্চিত হবে শান্তিময় সংসার থেকেও। বঞ্চিত হবে পরকালের শান্তি বা আখিরাতের মুক্তি থেকেও। তাছাড়াও হয়তো এমন একটা সময় আসতে পারে যখন বিবাহহীন প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েরা তাদের যৌবিক চাহিদা মিঠানোর জন্য প্রাপ্ত বয়স্ক ছেলেদের তাড়িয়ে বেড়াবে। এই অবস্থা সৃষ্টির পূর্বেই হ্রাস টেনে ধরা দরকার।

বিঃ দ্রঃ লেখার বিষয়টি একান্ত ব্যক্তিগত কল্পনা প্রসূত তারপরও যদি কারো জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা বা খন্ড চিত্রের সাথে মিলে যায় তবে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে গ্রহণ করবেন। কাউকে কষ্ট বা দুঃখ দেয়া আমার উদ্দেশ্য নয় শুধুমাত্র সচেতনতা সৃষ্টিই মূখ্য উদ্দেশ্য। লেখাটি পড়ে ভালো বা মন্দ মন্তব্য করার জন্য অনুরোধ করছি ধন্যবাদ।

www.sangbadlive24.com এ প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও সবকিছুই আমাদের নিজস্ব। বিনা অনুমতিতে এই নিউজ পোর্টালের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। যে কোন বিষয়ে নিউজ/ফিচার/ছবি/ভিডিও পাঠান news.sangbadlive24@gmail.com এই ইমেইলে।