নিহত মিজানুর রহমান জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল বগুড়া সদর উপজেলা কমিটির আহবায়ক ছিলেন। তবে পুলিশ ও দলীয় নেতা-কর্মীরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেনি। তবে ওই দলটির একটি সূত্র জানায়, গোকুল এলাকার এক যুবদল নেতার সঙ্গে বিরোধের জের ধরে ওই হত্যাকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মিজানুর রহমান সোমবার রাতে গোকুল এলাকায় ইউনিয়ন পরিষদের সামনে তার নিজ দপ্তরে বসে ছিলেন। লোডশেডিং চলাকালে রাত ৯টার দিকে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার অফিসে ঢোকে। এরপর তাকে রাম দা দিয়ে কুপিয়ে চলে যায়। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের বগুড়া জেলা কমিটির সদস্য সচিব আবু হাসান জানান, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মিজানুর রহমানের মৃত্যু হয়েছে৷ হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, কারণটি আমরা এখনও জানতে পারিনি। তবে ধারণা করা হচ্ছে আধিপত্য নিয়ে বিরোধের কারণে তাকে হত্যা করা হতে পারে।
জানতে চাইলে বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পদোন্নতি প্রাপ্ত পুলিশ সুপার) সিগ্ধ আখতার সাংবাদিকদের জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর তারা শুনেছেন। এ বিষয়ে তদন্তের জন্য তারা ঘটনাস্থলে যাচ্ছে।
নিউজের জন্য: news.sangbadlive24@gmail.com