বগুড়া প্রতিনিধি: গতকাল বুধবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে বগুড়া ইজতেমার প্রথম পর্ব৷ ইতোমধ্যে বিশ্বের ৬টি দেশ ও জেলার ১২টি থানার ধর্মপ্রাণ মুস্ললিরা ইজতেমা মাঠে পৌঁছেছেন।
দিল্লির নিজামুদ্দিন মারকাজে সাত সাহেবের অনুসারীদের আয়োজনে বগুড়া সদরের ঝোপগাড়িতে এ ইজতেমা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে ইজতেমা মারকাযে জামে মসজিদের গিয়ে সরেজমিন দেখা যায়, ইজতেমার দু'টি খিত্তায় হাজারো মুসল্লি জামাতবদ্ধ হয়েছেন। এদিন কাঁধে-পিঠে প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে ইজতেমাস্থলে এসে নিজ নিজ থানার খিত্তায় অবস্থান নিচ্ছেন।
অবশ্য গত কয়েকদিন থেকেই দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জামাতবদ্ধ মুসল্লিরা এসে ময়দানের খিত্তায় খিত্তায় অবস্থান নিয়েছেন।
বগুড়ার ইজতেমাস্থল এখন মুসল্লিদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠেছে। প্রথম দিন বুধবার আনুষ্ঠানিক আম বয়ানের মাধ্যমে তাবলিগের বুজুর্গ মুরব্বিরা এর সূচনা করেন । তবে বৃহস্পতিবার ইজতেমার বিশাল ময়দানে হাজারো মুসল্লি জমায়েত হওয়ায় যোহরে নামাজের পর থেকেই মুসল্লিদের মাঝে হেদায়েতী বয়ান শুরু হয়েছে।
বগুড়া ইজতেমা সূত্র জানিয়েছে, ইজতেমা উপলক্ষে ৬টি দেশের মুসল্লি (মরক্কো, রাশিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, সৌদি আরব) এবং বগুড়ার ১২টি থানার মুসল্লিরা জামাতবদ্ধ হতে শুরু করেছেন।
এবারের ইজতেমায় প্রায় লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা অংশগ্রহন করবেন। তিনদিন ব্যাপী শুরু হওয়া এ ইজতেমা শনিবার বিশেষ মোনাজাতের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে বলেও জানিয়েছে সূত্রটি।
বগুড়ার শেরপুর থেকে ইজতেমায় জামাতবদ্ধ হয়েছেন মোঃ শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, প্রতি বছরেই আমি ইজতেমায় অংশগ্রহণ করি। এতে ধর্মীয় রীতিনীতি চর্চার পরশপাশি আল্লাহর সন্তুষ্ট অর্জন করা যায়। মূলত ধর্মীয় বিশ্বাস থেকেই আমরা ইজতেমায় অংশ নিই।
এদিকে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নিরাপত্তা এবং ইজতেমা সুষ্ঠু ও শান্তিশৃঙ্খলভাবে শেষ করতে বগুড়া জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। এছাড়াও গোয়েন্দা সংস্থায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা ইজতেমা ময়দানে নজরদারি বাড়িয়েছে।
নিউজের জন্য: news.sangbadlive24@gmail.com