১৮৯৫ সাল হতে প্রতি বছর একাধিক দাঙ্গা সৃষ্টি করে সংখ্যালঘু মুসলিমদের হত্যা করেছে ভারতের বর্ণবাদী হিন্দুরা। ১৯৪৭ সালের ১৬ই আগস্ট গ্রেট কলকাতা কিলিং, সেপ্টেম্বর মাসে বিহার গণহত্যা, ২০০১ সালের গুজরাট রাজ্যের গণহত্যা সর্বাধিক আলোচিত। মুসলিম লীগ ব্রিটিশ ভারত ভাগ করার পর হতে ধর্মনিরপেক্ষতার লেবাস পড়ে অসংখ্য মসজিদ ধ্বংস করে তদস্থলে মন্দির তৈরি করেছে, এগুলোর মধ্যে ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ অন্যতম।
মঙ্গলবার (১০ ডিসেম্বর) বেলা ৪ টায় বাংলাদেশ মুসলিম লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব এবং উপসচিবও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নেতা জিল্লুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার পালিয়েছে কিন্তু তাদের প্রেতাত্তারা এখনো এদেশে রয়েছে। এদের যত দ্রুত সম্ভব খুঁজে বের করতে হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে সময় দিতে হবে কাজ করার জন্য এবং একটি সুষ্ঠ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তাদের সহযোগিতা করতে হবে।
এছাড়াও বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আরেক নেতা খান আসাদ বলেন, ভারত ১৮৯৫ সালে ক্ষমতা গ্রহন করে একশত বছরে অসংখ্য মসজিদ ভেঙে মন্দির নির্মাণ করেছে, আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।
বাংলাদেশ মুসলিম লীগের একটি তথ্য পত্রে লেখা হয়েছে, ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কোন অমুসলিমকে অপমান পর্যন্ত করতে পারেনা কোন মুসলমান। নিজেদের অনুগৃহীত প্রধানমন্ত্রী বসিয়ে ১৫ বছর ধরে দিল্লির সম্প্রসারণবাদী শাসকরা অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উপর আধিপত্য ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে রেখেছিল। ৫ আগস্ট দিল্লির গোলামির যে জিঞ্জির ছাত্র জনতা ছিন্ন করেছে তা আর কখনো জোড়া লাগানো যাবে না। এরপর হতে দিল্লির চোখে চোখ রেখে সমমর্যাদা নিয়ে কথা বলবে ঢাকা। তা হজম করতে না পারলে আড়ালে আবডালে অস্রুপাত করতে পারেন ভারতের হিন্দুত্ববাদী নেতারা।
নিউজের জন্য: news.sangbadlive24@gmail.com