দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওলের বিরুদ্ধে গত মঙ্গলবার সামরিক আইন জারির ঘটনায় তদন্ত চলছে। এরই মধ্যে তার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত সপ্তাহান্তে ক্ষমতাসীন পিপলস পাওয়ার পার্টি (পিপিপি) সংসদ সদস্যদের ভোট বর্জনের কারণে ইমপিচমেন্টের হাত থেকে রক্ষা পান ইউন। তবে সমঝোতার অংশ হিসেবে তিনি তার মেয়াদ কমিয়ে আনার এবং দেশি-বিদেশি কোনো বিষয় নিয়ে আর না জড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
এদিকে বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক পার্টি, যাদের সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে, এই সমঝোতাকে “অবৈধ, অসাংবিধানিক এবং দ্বিতীয়বারের মতো অভ্যুত্থান” বলে সমালোচনা করেছে।
সামরিক আইন জারির পর থেকেই ইউনের পদত্যাগ বা ইমপিচমেন্টের দাবিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে নেমেছে।
ইমপিচমেন্ট প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলেও সামরিক আইন জারির সঙ্গে জড়িত বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রবিবার গ্রেপ্তার করা হয় সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী কিম ইয়ং-হিউনকে, যিনি এই প্রস্তাব করেছিলেন বলে জানা যায়। এর আগে তিনি পদত্যাগ করে বিষয়টির জন্য “পূর্ণ দায়িত্ব” নেওয়ার কথা বলেন।
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লি সাং-মিনও রোববার পদত্যাগ করেন। তিনি স্বীকার করেন যে, “জনগণ ও প্রেসিডেন্টকে যথাযথভাবে সেবা দিতে ব্যর্থ হয়েছেন।”
তাছাড়া সামরিক আইন প্রত্যাহারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রেসিডেন্ট ইউনের কার্যালয়ের প্রধানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা পদত্যাগপত্র জমা দেন।
এই ঘটনায় আরও যারা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছেন, তাদের মধ্যে আছেন ডিফেন্স কাউন্টারইন্টেলিজেন্স কমান্ডার ইয়ো ইন-হিউং এবং আর্মি চিফ অব স্টাফ পার্ক আন-সু।


