ads
ঢাকামঙ্গলবার , ২৬ আগস্ট ২০২৫
  1. কৃষি ও পরিবেশ
  2. খেলা
  3. জাতীয়
  4. ধর্ম
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. ভ্রমণ
  8. মতামত
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষাঙ্গন
  11. সাক্ষাৎকার
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

ছাত্র সংসদ নির্বাচন: ডাকসু আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু আজ

ঢাবি প্রতিনিধি
আগস্ট ২৬, ২০২৫ ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা আজ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার শুরু করতে যাচ্ছেন। আচরণবিধি মেনে ক্যাম্পাসে এবং আবাসিক হলে ৭ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা পর্যন্ত প্রচার কার্যক্রম চালাতে পারবেন। ছাত্রী হলে প্রচারণায় ১২ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়সীমা থাকবে। নির্বাচন কেন্দ্র করে কোনো প্রার্থী বা পক্ষ স্বপ্রণোদিত হয়ে কোনো ধরনের সেবামূলক কাজে অংশ নিতে পারবেন না। সব ধরনের উপঢৌকন বিলিবণ্টন, আপ্যায়ন, অর্থ সহযোগিতা কিংবা অনুরূপ কার্যক্রম কঠোরভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। এসব কার্যক্রম নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ বলে বিবেচিত হবে। এদিকে ছাত্রদল প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন গণহত্যার দায়ে আওয়ামী ও ছাত্রলীগের বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাদের বাঁচার অধিকার আছে।

শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত সব শ্রেণিপেশার মানুষের মুখে চলছে ডাকসু নির্বাচন নিয়ে নানা বিশ্লেষণ। সোমবার ছিল ডাকসুর মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন। এদিন ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তবে কোন পদে কতজন করেছেন-তা রাত ৯টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। আর আজ থেকে শুরু হচ্ছে নির্বাচনি প্রচার-প্রচারণার আনুষ্ঠানিকতা। নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চালাতে হবে প্রচার-প্রচারণা। কেউ বিধি লঙ্ঘন করলেই রয়েছে শাস্তির ব্যবস্থা। আচরণবিধিতে বলা হয়েছে, প্রচারকাজ চালানোর নির্ধারিত দিনগুলোতে সামাজিক/আর্থিক/সেবামূলক সহযোগিতা বা কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা যাবে না। এছাড়া এই দিনগুলোতে প্রার্থী/প্রার্থীদের পক্ষ থেকে ক্যাম্পাসে বা হলে মজলিস-মাহফিল আয়োজন করা কিংবা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে/ প্রাঙ্গণে প্রচারণা চালানোর কাজ করা যাবে না। এগুলো স্পষ্টত নির্বাচনি আচরণবিধির লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে এবং এক্ষেত্রে ‘নির্বাচন আচরণ বিধিমালা’ ধারা-১৭ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসাবে বিবেচ্য হবে। নারী শিক্ষার্থীদের হলে প্রচার-প্রচারণা নিয়ে বলা হয়েছে, ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচন ২০২৫ উপলক্ষ্যে ছাত্রী হলগুলোয় সব হলের অনাবাসিক এবং অন্য ছাত্রী হলের আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্রী যারা প্রার্থী, তারা নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন। আর এই প্রচারণায় ১২ ঘণ্টার নির্ধারিত সময়সীমা থাকবে। এতে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনি প্রচারের ক্ষেত্রে সব প্রার্থী সমান অধিকার পাবেন। প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার দিন থেকে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দিনের ২৪ ঘণ্টা পূর্ব পর্যন্ত প্রচার করতে পারবেন। প্রতিদিন প্রচারের সময় সকাল ১০টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। তবে রাত ১০টার পরে কোনো ধরনের প্রচারকার্যে মাইক ব্যবহার করা যাবে না। ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটার/প্রার্থী ব্যতীত অন্য কেউ কোনোভাবেই কোনো প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রচার চালাতে পারবেন না। নির্বাচনের জন্য অসমীচীন যেকোনো কার্যক্রম বন্ধে নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

২১ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ২১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, মেজর কোনো আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা এখন পর্যন্ত ঘটেনি। এমনটি যেন ভবিষ্যতেও না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে চিফ রিটার্নিং অফিসার ও তার টিম কাজ করছে। কোনো ধরনের বৈষম্য বা অসমতা দেখা দিলে, লিখিতভাবে জানালে আমরা বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেব। মঙ্গলবার থেকে নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা। এখন পর্যন্ত ২১ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন ঘিরে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের কিছু প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশনের পক্ষ থেকে ভোটাধিকার, ভোটকেন্দ্র, আনুষ্ঠানিক প্রচারণা ও প্রার্থী উমামা ফাতেমাকে ঘিরে আলোচনা স্পষ্ট করা হয়। ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি প্রার্থী উমামা ফাতেমার বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গ করে প্রচারণা চালানোর বিষয়ে কমিশনের কাছে কোনো অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানানো হয়। ভোটকেন্দ্র বৃদ্ধির বিষয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত, এবার কোনো নতুন ভোটকেন্দ্র যোগ করা হবে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার : অনলাইন/সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো যাবে আইনসিদ্ধ ইতিবাচক পদ্ধতিতে। দেশের প্রচলিত আইনে নিষিদ্ধ কোনো কর্ম করা যাবে না। ব্যক্তিগত আক্রমণ, চরিত্র হনন, গুজব ও অসত্য তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকতে হবে। এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্তদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নির্বাচনের জন্য ক্ষতিকর যেকোনো অনলাইন সাইট/গ্রুপ বন্ধের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

নির্বাচনি সভা, সমাবেশ ও শোভাযাত্রা : কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো সভা/সমাবেশ/শোভাযাত্রা করতে চাইলে দিন, সময় ও স্থান উল্লেখপূর্বক চিফ রিটার্নিং অফিসার/সংশ্লিষ্ট হলের অফিসারের নিকট হতে লিখিত অনুমতি নিতে হবে। এরূপ অনুমতি লিখিত আবেদনপ্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে প্রদান করা হবে। সভা/সমাবেশ/ শোভাযাত্রা করার অনুমতি অন্তত ২৪ ঘণ্টা পূর্বে গ্রহণ করতে হবে। একজন প্রার্থী বা একটি প্যানেলের পক্ষে প্রতিটি হলে একটি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি প্রজেকশন মিটিং করা যাবে। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ছাত্র সংগঠন হলের অভ্যন্তরে বা ক্যাম্পাসে চিফ রিটার্নিং অফিসার/রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক অনুমোদিত স্থান ব্যতীত কোনো সভা, সমাবেশ বা শোভাযাত্রা করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় জনগণ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করতে পারে এমন সড়কে জনসভা/পথসভা/সমাবেশ এমনকি কোনো মঞ্চ তৈরি করা যাবে না। পাঠদান ও পরীক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে এমন কোনো স্থানে (যেমন-শ্রেণিকক্ষ, পাঠকক্ষ, পরীক্ষার হল ইত্যাদি) সভা/সমাবেশ বা নির্বাচনি প্রচারণা চালানো যাবে না। শ্রেণিকক্ষের ভেতরে ও করিডরে মিছিল করা যাবে না।

পোস্টার, লিফলেট, হ্যান্ডবিল ও দেওয়াল লিখন : সাদা কালো পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল ছাপানো ও বিলি করা যাবে। পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিলে কোনো প্রার্থী নিজের সাদাকালো ছবি ব্যতীত অন্য কারও ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও হল এলাকায় অবস্থিত কোনো প্রকার স্থাপনা, দেওয়াল, যানবাহন, বেড়া, গাছপালা, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি বা অন্য কোনো দণ্ডায়মান বস্তুতে পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল লাগানো যাবে না। কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর পোস্টার, লিফলেট বা হ্যান্ডবিলের ক্ষতিসাধন করা যাবে না। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কোনো ছাত্র সংগঠন, কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী কোনো কালি বা চুন বা কেমিক্যাল দ্বারা দেওয়াল বা যানবাহনে কোনো লিখন, মুদ্রণ, ছাপচিত্র বা চিত্রাঙ্কন করে নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবে না।

নির্বাচনি আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন : নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার লিখিত অভিযোগপ্রাপ্তি ও তদন্তসাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার প্রয়োজনবোধে স্বপ্রণোদিতভাবে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থাও গ্রহণ করতে পারবেন। কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষে কেউ নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করলে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা জরিমানা, প্রার্থিতা বাতিল অথবা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার অথবা রাষ্ট্রীয়/বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী অন্য যেকোনো দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

তাদের বাঁচার অধিকার আছে : আবিদুল ইসলাম : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ছাত্রদল প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের বিচার যতক্ষণ পর্যন্ত না হবে, ততক্ষণ এদের বাঁচার অধিকার আছে। এদের খাদ্য ও বাসস্থানের অধিকার আছে, কিন্তু এদের রাজনৈতিক অধিকার তো আপনারা (ঢাবি প্রশাসন) দিতে পারেন না।’ সোমবার (২৫ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

ডাকসু নির্বাচনে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে আবিদুল বলেন, ‘ফজলুল হক মুসলিম হলের এজিএস প্রার্থী তোফাজ্জল হত্যা মামলার আসামি, এজিএস রাকিবুল রিয়াদ ও জিএস এনামুল হাসান ২০২২ সালে ছাত্রদলের ওপর হামলার সাথে জড়িত ছিল এবং ছাত্রলীগের পোস্টেড ছিল। এত অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তারা কীভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে, সে বিষয়ে নির্বাচন কমিশনারকে আমরা প্রশ্ন করছি।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘এফ রহমান হল, গুপ্ত শিবির ও বাগছাস যাদের প্রার্থী আছে, তাদের প্রভোস্ট পক্ষপাতিত্ব করছেন। এফ রহমান হলের একজন সাংবাদিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এবং তিনি ছাত্রদের জন্য কাজ করা প্রার্থীদের ব্ল্যাকমেইল করছেন। হল সংস্কারের জন্য যে প্রতিনিধি কমিটি করা হয়েছিল, তারা বলেছিল ডাকসু নির্বাচন হবে না। অথচ এখন তারাই প্রার্থী হয়েছেন। আশা করি নির্বাচন কমিশন প্রভোস্টের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।’

প্রচারণা শুরু প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু হবে। কিন্তু গতকাল রাত ১টা ১৩ মিনিটে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রচারণা চালিয়েছে। যদিও তিনি ক্ষমা চেয়েছেন, কিন্তু একটি ঘটনা ঘটিয়ে পরে ক্ষমা চাইলে অন্যরা একই সুযোগ নেবে। প্রশাসনকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।’ নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই দাবি করে আবিদুল বলেন, ‘আমরা যেভাবেই প্রচার করতে যাই না কেন, আশঙ্কা করছি গুপ্ত সংগঠনগুলো আমাদের ওপর আক্রমণ চালাতে পারে।’ প্রশাসনের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘যদি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে চান, তাহলে অবশ্যই এসবের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

রোকেয়া হলে রাতে থাকা নিয়ে বিতর্ক, উমামার দুঃখ প্রকাশ : নিয়মবহির্ভূতভাবে এক রাত রোকেয়া হলে থাকার কারণে দুঃখ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপিপ্রার্থী উমামা ফাতেমা। দুঃখ প্রকাশ করে রোকেয়া হল প্রশাসনের কাছে একটি আবেদনপত্র জমা দিয়েছেন তিনি। উমামা ফাতেমা ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী ঐক্য’ প্যানেলের প্রার্থী হিসেবে ডাকসু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। সোমবার (২৫ আগস্ট) উমামা ফাতেমা নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে এ তথ্য জানান। উমামা ফাতেমা বিশ্ববিদ্যালয়ের কবি সুফিয়া কামাল হলের আবাসিক শিক্ষার্থী। আবেদনপত্রে উমামা লিখেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী এক হলের ছাত্রী অন্য হলে অবস্থান করতে পারেন না। দীর্ঘদিন মানসিক ও শারীরিক চাপে থাকায় তিনি রোকেয়া হলে এক বান্ধবীর সঙ্গে রোববার (২৪ আগস্ট) রাত ১০টার আগে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে প্রচার করা হচ্ছে, তিনি রাত দেড়টায় হলে প্রবেশ করেছেন, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর। নিয়ম ভঙ্গ করে হলে অবস্থান করার জন্য আবেদনপত্রে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রীদের হলে রাত ১০টার পর আবাসিক শিক্ষার্থী ছাড়া অনাবাসিক শিক্ষার্থী, অন্য হলের শিক্ষার্থী, এমনকি আবাসিক শিক্ষার্থীদের অতিথিরাও প্রবেশ করতে পারেন না।

 

 

 

www.sangbadlive24.com এ প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও সবকিছুই আমাদের নিজস্ব। বিনা অনুমতিতে এই নিউজ পোর্টালের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। যে কোন বিষয়ে নিউজ/ফিচার/ছবি/ভিডিও পাঠান news.sangbadlive24@gmail.com এই ইমেইলে।