ads
ঢাকারবিবার , ২৬ মে ২০২৪
  1. কৃষি ও পরিবেশ
  2. খেলা
  3. জাতীয়
  4. ধর্ম
  5. বিনোদন
  6. বিশ্ব
  7. ভ্রমণ
  8. মতামত
  9. রাজনীতি
  10. শিক্ষাঙ্গন
  11. সাক্ষাৎকার
  12. সারাদেশ
  13. সাহিত্য
আজকের সর্বশেষ খবর

ঘূর্ণিঝড়: কোন বিপদ সংকেতের কী মানে?

আর্শিনা ফেরদৌস:
মে ২৬, ২০২৪ ১২:৩০ অপরাহ্ণ
Link Copied!

আর্শিনা ফেরদৌস: ঘূর্ণিঝড় বা ঘূর্ণিবার্তা হলো ক্রান্তীয় অঞ্চলের সমুদ্রে সৃষ্ট বৃষ্টি। বজ্র ও প্রচণ্ড ঘূর্ণি বাতাস সংবলিত আবহাওয়ার একটি নিম্নচাপ প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া নিরক্ষীয় অঞ্চলে উৎপন্ন তাপ মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত করে। এ ধরনের ঝড়ে বাতাস প্রবল বেগে ঘুরতে ঘুরতে ছুটে চলে বলে এর নামকরণ করা হয়েছে ঘূর্ণিঝড়।এখন দেখি ঘূর্ণিঝড়ের সংজ্ঞা কি..

ঘূর্ণিঝড় কী?

কোনো স্থানে বায়ুর তাপ বৃদ্ধি পেলে সেখানকার বায়ু উপরে উঠে যায়। ফলে বায়ুর চাপ ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। একে নিম্নচাপ বলে। এ নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রায় বায়ুশূন্য অবস্থা থাকে বলে আশপাশের অঞ্চল থেকে বায়ু প্রবল বেগে ঘুরতে ঘুরতে নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ছুটে আসে। এ নিম্নচাপ কেন্দ্রমুখী প্রবল ঘূর্ণি বায়ু প্রবাহকে ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন বলে।

ঘূর্ণিঝড়ের সতর্ক সংকেতগুলো কী কী?

সাধারণত ঘূর্ণিঝড়ের সময় বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতরের ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা কেন্দ্র থেকে সতর্কতা হিসেবে ১-১১ পর্যন্ত সংকেত জারি করে থাকে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যানুযায়ী, ১ নম্বর হচ্ছে দূরবর্তী সতর্কসংকেত, ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত, ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কসংকেত, ৪ নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত, ৫, ৬ ও ৭ বিপদসংকেত, ৮, ৯ ও ১০ মহাবিপৎসংকেত এবং ১১ ঘূর্ণিঝড়ের প্রচণ্ডতার কারণে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন।

ঘূর্ণিঝড় কেন হয়?

বিষুবীয় অঞ্চলে আর্দ্র এবং উষ্ণ হাওয়া মহাসাগরের পৃষ্ঠ থেকে স্বাভাবিকভাবেই উপরের দিকে উঠতে থাকে। এভাবে উষ্ণ হাওয়া উপরের দিকে ওঠার ফলে এটি মহাসাগরীয় পৃষ্ঠে কম বায়ুচাপের একটি এলাকা সৃষ্টি করে। তখন চারপাশ থেকে তুলনামূলক উচ্চ বায়ুচাপ বিশিষ্ট বাতাস সেই কম বায়ুচাপের এলাকায় প্রবেশ করে এবং সেটিও আর্দ্র এবং উষ্ণ হতে থাকে। আগের মতো এরাও উষ্ণতার জন্য উপরে উঠতে থাকে। এভাবে একটি চক্রের সৃষ্টি হয়। এই উষ্ণ বাতাস উপরে উঠে ঠান্ডা হওয়ার ফলে বাতাসে পানির অণুগুলো জমাট বেঁধে মেঘ তৈরি করে। ক্রমাগত এই উষ্ণ এবং আর্দ্র বাতাসের উপরে ওঠার কারণে একটি পাকের সৃষ্টি হয়। এই পাক তখন বাতাস এবং মেঘ নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে আরও শক্তি সঞ্চয় করতে থাকে।

এ ক্ষেত্রে এর জ্বালানি হিসেবে কাজ করে মহাসাগরের উষ্ণ এবং আর্দ্র বাতাস। আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে মহাসাগরের পৃষ্ঠের তাপমাত্রা। কারণ, তাপমাত্রার ফলেই বাতাস উষ্ণ হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়। ঠিক এ কারণেই এদের বিষুব অঞ্চলে হতে দেখা যায়। পাকের ঘূর্ণনগতি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝড়টির কেন্দ্রে একটি ‘চোখ’ উৎপন্ন হয়।

যেহেতু এ রকম ঝড়ের জ্বালানি আসে সাগরপৃষ্ঠের তাপমাত্রা থেকে, এ জন্য এরা ভূমিতে গিয়ে ‘জ্বালানি’র অভাবে খুব একটা সুবিধা করতে পারে না। তবে মহাসাগরে থাকাবস্থায় এর ব্যাপ্তি এবং গতির ওপর নির্ভর করে এটি অনেক সময় ভূমিতে বেশ ভালো রকমের তাণ্ডব সৃষ্টি করতে সক্ষম। তবে ঘূর্ণিঝড়টি কোথায় আছড়ে পড়বে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে চাইলে যে কেউ ঘরে বসেই ঝড়ের গতিবিধি জানতে পারবেন। কীভাবে?

এমন বেশ কিছু ‘সাইক্লোন ট্র্যাকার’ রয়েছে, যেখানে ঘূর্ণিঝড়ের গতিবিধি দেখা যেতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম ‘জুম আর্থ’। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে নানা আপডেট জানা যাবে এখান থেকে। ঝড় কোন এলাকায় আঘাত হানতে পারে, তা জানা যেতে পারে এই ট্র্যাকারের মাধ্যমে।

শুধু তাই নয়; ঝড়ের বেগ কত, তাপমাত্রা কেমন থাকবে, তা-ও জানা যাবে এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে সহজেই এই ওয়েবসাইট থেকে ঝড় সংক্রান্ত তথ্য জানা যাবে। বঙ্গোপসাগরে যে গভীর নিম্নচাপটি সৃষ্টি হয়েছে সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।আবহাওয়া অধিদপ্তরের সুত্রে জানা গিয়েছে।

সংবাদ লাইভ/মতামত/আর্শিনা

www.sangbadlive24.com এ প্রকাশিত সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও সবকিছুই আমাদের নিজস্ব। বিনা অনুমতিতে এই নিউজ পোর্টালের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা সম্পূর্ণ বেআইনি। যে কোন বিষয়ে নিউজ/ফিচার/ছবি/ভিডিও পাঠান news.sangbadlive24@gmail.com এই ইমেইলে।