শিক্ষা কার্যক্রমের গৌরবময় ৩৪ বছর অতিক্রম করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় প্রবেশ করছে ৩৫তম বছরে। প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ ও প্রেরণার প্রতীকে পরিণত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। শান্তিপূর্ণ একাডেমিক পরিবেশ, মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণার গভীরতা এবং আন্তর্জাতিক সংযোগের সমন্বয়ে এটি দেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার অগ্রযাত্রার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আগামীকাল ২৫ নভেম্বর (মঙ্গলবার) উদ্যাপিত হবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস। দিবসটিকে ঘিরে ইতোমধ্যেই ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। প্রধান ফটক, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল, সড়ক ও বিভিন্ন স্থাপনায় দৃষ্টিনন্দন আলোকসজ্জায় ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল রূপে।
দিবসটি ঘিরে নেয়া হয়েছে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি। সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে দিবসের সূচনা হবে। এরপর সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে মূল অনুষ্ঠান, যেখানে কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ২১ জন শিক্ষার্থীকে প্রদান করা হবে কৃতি শিক্ষার্থী পুরস্কার। পাশাপাশি গত এক বছরে কার্যক্রমের ভিত্তিতে ৯টি সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সেবামূলক সংগঠন সম্মাননা পাবে। দলগত অর্জনের ক্ষেত্রেও থাকছে স্বীকৃতি—জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় কৃতিত্ব অর্জন করায় ৭টি দলকে দলীয় পুরস্কার প্রদান করা হবে।
পরে, অদম্য বাংলা প্লাজায় বিভাগ ও ডিসিপ্লিনসমূহ গত বছরের অর্জন এবং আগামী বছরের পরিকল্পনা ডিসপ্লে বোর্ডের মাধ্যমে উপস্থাপন করবে। বাদ যোহর দোয়া এবং মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনার আয়োজনও রয়েছে দিনের কর্মসূচিতে। সন্ধ্যায় মুক্তমঞ্চে শুরু হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যা রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।
বর্ণিল সাজে সজ্জিত পুরো ক্যাম্পাস, স্বীকৃতি ও সম্মাননার আয়োজন, বৈচিত্র্যময় কর্মসূচি এবং শিক্ষক–শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দিবস–২০২৫।


