ময়মনসিংহ বিভাগের স্বনামধন্য বিদ্যাপীঠ ও প্রথম প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেফমুবিপ্রবি)।
পথচলার ৭ বছরে দুইজন শিক্ষাবিদকে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। ২য় উপাচার্য হিসেবে এ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান প্রফেসর কামরুল আলম খান।
তবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তোপের মুখে গত ১১ই আগস্ট তিনি পদত্যাগ করেন । তিনি চলে যাওয়ায় বশেফমুবিপ্রবি পরিবারে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা। কে হচ্ছেন আগামীতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্ণধার!
অভিভাবক হিসেবে কেমন উপাচার্য চান বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা? মতামত জানতে বঙ্গমাতা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির ফেসবুক পেইজে একটি পোস্ট করা হয় । শিক্ষার্থীদের মতামতে উঠে এসেছে নানা সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা।
ইইই বিভাগের ২০২০-২০২১ সেশনের শিক্ষার্থী তানভীর আহাম্মেদ বলেন, “শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকরী ভাবে সচেষ্ট, বিজ্ঞান গবেষণার পরিসর বাড়াতে গবেষণাগার ও ইনস্টিটিউট স্থাপনে আগ্রহী ভাইস চ্যান্সেলর চাই। দ্রুত নতুন একাডেমিক ভবন স্থাপন করে সব বিভাগের শিক্ষার্থীদের বহুমুখী সুবিধা বৃদ্ধিতে প্রথম কর্মদিবস থেকেই কাজ করে যাবেন এমন ভাইস চ্যান্সেলর চাই। যার হাত ধরে ২-৩ বছরের মধ্যে অন্যান্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে অবকাঠামো, ল্যাব ও গবেষণার মানের দিক থেকে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে যাওয়া যায়।”
ইইই বিভাগের ২০২১-২০২২ সেশনের শিক্ষার্থী উমর ফারুক বলেন, “আমরা চাই একজন বিশ্বমানের গবেষক যার নেতৃত্বে আমাদের বিজ্ঞান ও প্রযক্তি বিশ্বিবদ্যালয় বিজ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে বিশ্বের দরবারে মাথা উচু করে দাড়াবে। ভিসি স্যার অবশ্যই সৎ এবং শিক্ষার্থীবান্ধব হতে হবে, শিক্ষার্থীদের এবং শিক্ষকদের গবেষণা ও বিজ্ঞানমুখী করার জন্য উনি সর্বোচ্চটা দিয়ে সাথে থাকবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন বিকাশ করতে হবে। সবশেষে উনি নিয়োগের ক্ষেত্রে একদম গুণাবলি সম্পন্ন ব্যক্তিদের নিয়োগ প্রদান করবেন কোন প্রকার দূর্নীতি বা অনিয়মকে আশ্রয় দিবেন না এটাই আমাদের প্রত্যাশা থাকবে।”
ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২২-২০২৩ সেশনের শিক্ষার্থী হুমায়ুন কবীর বলেন, “তাকে প্রথমত দুরদৃষ্টি সম্পন্ন,সৎ,নির্দলীয়,দক্ষ ও অভিজ্ঞতা সম্পূর্ণ হতে হবে।একজন ভিসি ছাত্র-শিক্ষকবান্ধব হবেন যাতে করে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি হয়।আমাদের ছোট্ট ক্যাম্পাসে সমস্যার শেষ নেই। আমরা এ রকম অভিভাবক চাই,যার হাত ধরে অনেক দূর এগিয়ে যাবে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়।শিক্ষক-কর্মকর্তাদের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা বাড়ানো,অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিতকরণ এবং নিয়োগ বাণিজ্য নিয়ে যত অভিযোগ সব দূর করে শিক্ষা ও গবেষণার জন্য আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে যেন অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়।”


