আজ ২১ শে মে, আন্তর্জাতিক চা দিবস, পৃথিবীতে একটি পরিচিত পানীয় চা চায়ের স্বাদ গন্ধ রঙ ক্লান্তি শ্রান্তি শেষে শরীরে সতেজতা আনতে সাহায্য করে। কখনো চায়ের সাথে বিশেষ বৃষ্টি বা শীতের আবহাওয়ার একটা সাযুজ্য পান রোমাঞ্চপ্রিয় মানুষেরা।
চা নিয়ে একটি মিথ আছে, একবার এক রাজার সৈন্য দল বনে জিরিয়ে নিচ্ছিল, পাশে রান্না হচ্ছিল, গরম জল ফুটছে চুলায়, হঠাৎ কিছু পাতা পড়ল গাছ থেকে গরম জলে, সৈন্যরা কিছু না জেনে সুপ মনে করে পান করল সই গরম রঙীন পানীয় জল। পরে তারা নিজেদের বেশ সতেজ উৎফুল্ল মনে করল, তারপর থেকে নাকি চা পান শুরু। আজ অব্দি এতটুকু চায়ের আকর্ষন তৃষনা কমেনি বরং বিভিন্ন প্রকার চায়ের কদর বেড়েছে। তার সাথে পৃথিবী ব্যাপি বেড়েছে চাশিল্পের প্রসার।
আন্তর্জাতিক চা দিবস ভারতের সুপারিশে ২১ মে বিশ্বব্যাপী পালিত হয়। আন্তর্জাতিক চা দিবসের উদ্দেশ্য হল চা উৎপাদনকারী এবং চা শ্রমিকদের অবস্থার উন্নতি করার চেষ্টা করা যা জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) কর্তৃক আন্তর্জাতিক চা দিবসের স্বীকৃতি দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক চা দিবসের ইতিহাস ২০১৯ সালের ১৫ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক হিসাবে পালিত হওয়ার আগে ২০১৫ সালের অক্টোবরে (FAO) আন্তঃসরকারি গ্রুপ আইজিজি-তে ভারতের প্রস্তাবের ভিত্তিতে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ২১ মে কে আন্তর্জাতিক চা দিবস হিসাবে মনোনীত করেছে।
চা কি ক্যামেলিয়া সিনেনসিস উদ্ভিদ থেকে তৈরি একটি পানীয় চা হল জলের পরে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি খাওয়া পানীয় এটি বিশ্বাস করা হয় যে চা এর উৎপত্তি উত্তর-পূর্ব ভারত উত্তর মায়ানমার এবং দক্ষিণ-পশ্চিম চীনে। কিন্তু সঠিক জায়গা যেখানে উদ্ভিদটি প্রথম বেড়েছিল তা জানা যায়নি।
বাংলাদেশের চাশিল্প ব্যাপক প্রসারিত। রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারে বা এতদিন ধরে রপ্তানি হয়েছে।
শ্রমিকরা উপযুক্ত পারশ্রমিক পেলে আরও এর ব্যাপ্তি বাড়বে। সিলেট ছাড়িয়ে এখন দিনাজপুরে কিছু চা চাষ হচ্ছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের চা সুপরিচিত গুনগত মানে।


