ডা. শাহাদাত হোসেন পারভেজ: ৮ আগস্ট ছিল আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস। ২০০২ সালে এই দিবসের সূচনা হয় বিড়ালের কল্যাণ, প্রয়োজন ও সুরক্ষা সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে। ২০২০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক ক্যাট কেয়ার দিবসটির সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছে। কিন্তু বাংলাদেশে এই দিনটি কি কেবল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিড়ালের ছবি পোস্ট করা, আদর-ভালোবাসা প্রকাশ কিংবা শুভেচ্ছা জানানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে? আমার মনে হয়, সময় এসেছে আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রাণীকল্যাণ, দায়িত্বশীল পোষ্য পালন এবং আধুনিক ভেটেরিনারি সেবার একটি নতুন জাতীয় আলোচনার সূচনা করার।
বাংলাদেশের মানুষের বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা নতুন নয়। ইসলামি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যেও বিড়ালের প্রতি মমতার বিষয়টি বিশেষভাবে পরিচিত। সাহাবি হযরত আবু হুরায়রা (রা.)-এর নামের সঙ্গে বিড়ালের প্রতি তাঁর ভালোবাসার স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ইসলামে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এবং জীবজন্তুর প্রতি দয়া ও দায়িত্বশীল আচরণকে নৈতিকতার অংশ হিসেবে দেখা হয়েছে। ফলে প্রাণীর প্রতি সহমর্মিতা আমাদের জন্য কোনো বিদেশি ধারণা নয়; এটি আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধেরই অংশ।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের মানুষের বিড়ালের প্রতি ভালোবাসা নতুন একটি মাত্রা পেয়েছে প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমানের পোষা বিড়াল ‘জেবু’কে ঘিরে। সাইবেরিয়ান জাতের এই বিড়ালটি বাংলাদেশে ফিরে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে জেবুর ছবি ও বিভিন্ন মুহূর্তও ব্যাপকভাবে মানুষের আগ্রহ তৈরি করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এটি তাঁর মেয়ের বিড়াল হলেও এখন এটি সবার ভালোবাসার বিড়াল হয়ে উঠেছে। জেবু নিছক একটি জনপ্রিয় বিড়ালের নাম নয়; বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে সঙ্গী প্রাণীর প্রতি বাড়তে থাকা আগ্রহ ও আবেগেরও একটি প্রতীকী উদাহরণ।
এই প্রাণীপ্রেমকে প্রাতিষ্ঠানিক প্রাণীকল্যাণের দিকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগও এখন তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং সংগঠনটি দেশব্যাপী প্রাণীর সুরক্ষা, চিকিৎসা, আশ্রয় ও কল্যাণ নিয়ে কাজ করছে। প্রাণীপ্রেমী মানুষের পাশে দাঁড়ানো, অসুস্থ প্রাণীর চিকিৎসা, প্রাণীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ও পোষা প্রাণীর হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার কথাও ইতোমধ্যে সামনে এসেছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা-রাষ্ট্র ও সমাজের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে প্রাণীকল্যাণ এখন আর উপেক্ষা করার মতো কোনো বিষয় নয়।

অন্যদিকে, বাংলাদেশের শহরগুলোতে পোষা প্রাণী পালন দ্রুত সামাজিক বাস্তবতায় পরিণত হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা ও বড় শহরগুলোতে পার্সিয়ান, ব্রিটিশ শর্টহেয়ার, বেঙ্গল, র্যাগডল, মেইন কুন, সিয়ামিজ, স্কটিশ ফোল্ড ও সাইবেরিয়ানসহ বিভিন্ন জাতের বিড়ালের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। একই সঙ্গে আমাদের দেশি বিড়ালও অসংখ্য পরিবারের সঙ্গী। বিড়াল পালন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পোষা প্রাণীর খাবার, পরিচর্যা, আবাসন, সরঞ্জাম, প্রজনন এবং চিকিৎসাসেবার একটি নতুন বাজারও তৈরি হচ্ছে। অর্থাৎ পোষা প্রাণীর খাত এখন কেবল শখের বিষয় নয়; এটি একটি সম্ভাবনাময় উদীয়মান অর্থনৈতিক খাত, যেখানে উদ্যোক্তা তৈরি, কর্মসংস্থান এবং ভেটেরিনারি পেশার নতুন ক্ষেত্র সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে।
তবে এই বিকাশের সঙ্গে আমাদের দায়িত্বও বাড়ছে। একটি বিড়ালকে ঘরে আনা মানে শুধু তাকে খাবার দেওয়া বা সুন্দর ছবি তোলা নয়। তার জন্য প্রয়োজন টিকাদান, কৃমিনাশক প্রয়োগ, পুষ্টি, রোগ প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা, বন্ধ্যাকরণ, দাঁতের যত্ন, পরজীবী নিয়ন্ত্রণ, আচরণগত যত্ন এবং জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা। বিশেষ করে বিড়ালের সঙ্গে মানুষের ঘনিষ্ঠ বসবাসের কারণে ওয়ান হেলথ বা সমন্বিত স্বাস্থ্য ভাবনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণীর স্বাস্থ্য, মানুষের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ-এই তিনটি বিষয়কে আলাদা করে দেখার সুযোগ নেই। তাই পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্য এখন ধীরে ধীরে জনস্বাস্থ্যের সঙ্গেও সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠছে।
এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের প্রতিটি বিভাগে অন্তত একটি করে আধুনিক বিশেষায়িত পোষা প্রাণী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে গতকাল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জনাব সুলতান সালাউদ্দীন টুকু বাংলাদেশ সোসাইটি ফর ভেটেরিনার এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের অনুষ্ঠানে ঘোষণা দিয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় কিছু বেসরকারি পোষা প্রাণীর চিকিৎসাকেন্দ্র গড়ে উঠলেও দেশের অধিকাংশ পোষা প্রাণীর মালিকের জন্য উন্নত রোগ নির্ণয়, অস্ত্রোপচার ও জরুরি চিকিৎসাসেবা এখনো সহজলভ্য নয়। ফলে অনেক সময় জটিল রোগের চিকিৎসার জন্য বিদেশে, বিশেষ করে ভারতের বিভিন্ন শহরে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে। একটি সংবাদ প্রতিবেদনে বাংলাদেশি পোষা প্রাণীর মালিকদের মধ্যে কলকাতায় প্রাণিচিকিৎসা নেওয়ার প্রবণতার কথাও উঠে এসেছে। আমরা যদি দেশে আধুনিক বিশেষায়িত প্রাণিচিকিৎসা অবকাঠামো তৈরি করতে পারি, তাহলে একদিকে দেশের মানুষের অর্থ সাশ্রয় হবে, অন্যদিকে বাংলাদেশে প্রাণিচিকিৎসার বিশেষায়ন, গবেষণা, ইন্টার্নশিপ ও কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার খুলবে।

একটি পূর্ণাঙ্গ বিশেষায়িত পোষা প্রাণী হাসপাতালে শুধু সাধারণ চিকিৎসা নয়-জরুরি ও সংকটাপন্ন প্রাণীর চিকিৎসা, অভ্যন্তরীণ রোগের চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার, রোগ নির্ণয় পরীক্ষাগার, রেডিওলজি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, দন্ত চিকিৎসা, চর্মরোগ চিকিৎসা, পুষ্টি পরামর্শ, অ্যানেসথেশিয়া, নিবিড় পরিচর্যা, টিকাদান এবং হাসপাতালে রেখে চিকিৎসা-এর মতো সেবা থাকা উচিত। পাশাপাশি ভেটেরিনারি স্নাতক ও তরুণ ভেটেরিনারিয়ানদের জন্য কাঠামোবদ্ধ ইন্টার্নশিপ, উচ্চতর প্রশিক্ষণ ও পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ রাখা যেতে পারে। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বে বিভাগীয় পর্যায়ে এমন হাসপাতাল গড়ে তোলা হলে বাংলাদেশে একটি আধুনিক পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্যসেবা নেটওয়ার্ক তৈরি করা সম্ভব।
তবে পোষা প্রাণীর খাতের সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গাগুলোর একটি হলো প্রজনন এবং কেনাবেচা। বিড়ালের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতের নামে ব্যবসাও বাড়ছে। এখানে প্রাণীকল্যাণের ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা জরুরি। যারা বিড়াল প্রজনন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত, তাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। অসুস্থ বা বংশগত রোগের ঝুঁকি থাকা প্রাণীকে নির্বিচারে প্রজননে ব্যবহার করা, অতিরিক্ত প্রজনন করে মা বিড়ালকে দুর্বল করে ফেলা, খুব অল্প বয়সে বিড়ালছানা বিক্রি করা, টিকাদান বা স্বাস্থ্য-তথ্য গোপন করা কিংবা ভুয়া জাত বা বংশপরিচয়ের নামে ক্রেতাকে প্রতারিত করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
বিশেষ করে কিছু জাতের ক্ষেত্রে শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যকে প্রাধান্য দিয়ে প্রজনন করা প্রাণীর দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। স্কটিশ ফোল্ড জাতের ভাঁজযুক্ত কানের বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে তরুণাস্থি ও অস্থির সমস্যার সম্পর্ক নিয়ে প্রাণীকল্যাণ মহলে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ রয়েছে। তাই আমাদের পোষা প্রাণীর খাতকে ‘সুন্দর প্রাণী উৎপাদন’-এর প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে “সুস্থ প্রাণী সবার আগে” নীতিতে যেতে হবে। প্রতিটি বিক্রিত বিড়ালের সঙ্গে টিকাদানের রেকর্ড, কৃমিনাশক প্রয়োগের ইতিহাস, স্বাস্থ্যগত অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় ভেটেরিনারি সনদ দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল প্রজননকারীদের জন্য একটি স্বীকৃত নিবন্ধন বা সনদ প্রদান ব্যবস্থা চালুর বিষয়টিও বিবেচনা করা দরকার।
বাংলাদেশে স্মল এনিম্যাল ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন বাসাভা-এর মতো সংগঠন এবং অন্যান্য প্রাণীকল্যাণ সংগঠন ও ভেটেরিনারি উদ্যোগ- পোষা প্রাণীর চিকিৎসা ও জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করছে। তাদের সঙ্গে সরকারি প্রতিষ্ঠান, ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-ভ্যাব, ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়, ভেটেরিনারি চিকিৎসক, পোষা প্রাণীর মালিক, প্রজননকারী এবং পোষা প্রাণীর খাতের উদ্যোক্তাদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কারণ প্রাণীকল্যাণ কোনো একক সংগঠনের কাজ নয়। এটি একটি সমন্বিত সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত-উদ্ধার, চিকিৎসা, টিকাদান, বন্ধ্যাকরণ, দত্তক গ্রহণ এবং দায়িত্বশীল পোষ্য পালনকে একই কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসা।
আমি মনে করি, আগামী বছর থেকে আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবসকে সামনে রেখে ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের পক্ষ থেকে একটি জাতীয় বিড়াল পালনের উদ্যোগ গ্রহণ করা যেতে পারে। দেশের বিভিন্ন স্থানে ভেটেরিনারি স্বাস্থ্যসেবা ক্যাম্পেইন, জলাতঙ্কের টিকা সম্পর্কে সচেতনতা, দায়িত্বশীল পোষ্য পালনবিষয়ক প্রচারাভিযান, দত্তক গ্রহণ কর্মসূচি, পথের বিড়ালের বন্ধ্যাকরণ সম্পর্কে সচেতনতা, স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি এবং দায়িত্বশীল প্রজননবিষয়ক নির্দেশিকা নিয়ে কাজ করা সম্ভব। পাশাপাশি সরকারের কাছে প্রতিটি বিভাগে বিশেষায়িত পোষা প্রাণী হাসপাতাল, জাতীয় পর্যায়ে পোষা প্রাণীর স্বাস্থ্যনীতি এবং দায়িত্বশীল পোষা প্রাণী প্রজনন ও বিক্রয়ের জন্য নীতিমালা প্রণয়নের প্রস্তাব দেওয়া যেতে পারে।
সবশেষে একটি কথা জেবু আজ বাংলাদেশের মানুষের কাছে শুধু একটি সেলিব্রিটি বিড়াল নয়, প্রাণীর প্রতি ভালোবাসারও একটি সুন্দর প্রতীক। জেবুকে ঘিরে মানুষের যে ভালোবাসা, আগ্রহ ও মমতা তৈরি হয়েছে, সেটিকে আমরা যদি বাংলাদেশের অসংখ্য পোষা ও পথের বিড়ালের প্রতি আরও দায়িত্বশীল ও মানবিক আচরণে রূপ দিতে পারি, তাহলে এই ভালোবাসাই হয়ে উঠতে পারে একটি বৃহত্তর প্রাণীকল্যাণ আন্দোলনের শক্তি।
বাংলাদেশের শহর, গ্রাম, ক্যাম্পাস ও পাড়া-মহল্লায় অসংখ্য বিড়াল মানুষের সঙ্গে বসবাস করছে। কেউ পরিবারের আদরের সদস্য, কেউ আবার পথের প্রাণী। তাদের সবার প্রয়োজন ভালোবাসা, নিরাপদ পরিবেশ, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মানবিক আচরণ। জেবুর প্রতি আমাদের ভালোবাসা যদি প্রতিটি বিড়ালের প্রতি মমতা ও দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলে, সেটিই হবে এই ভালোবাসার সবচেয়ে সুন্দর প্রকাশ।
তাই আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস আমাদের কাছে শুধু একটি উদ্যাপন নয়-এটি একটি নীতিগত স্মারক। জেবুকে ভালোবাসার মধ্য দিয়ে আসুন আমরা প্রাণীর প্রতি ভালোবাসার পরিধি আরও বিস্তৃত করি। পোষা প্রাণীর মালিক হবেন দায়িত্বশীল, প্রজননকারী হবেন নৈতিক, ভেটেরিনারিয়ান পাবেন আধুনিক অবকাঠামো, আর পথের প্রাণী পাবে চিকিৎসা ও নিরাপত্তা। জেবুর প্রতি ভালোবাসা ছড়িয়ে পড়ুক প্রতিটি প্রাণীর প্রতি মমতায়। জেবু হোক একটি প্রাণীবান্ধব বাংলাদেশের সুন্দর প্রতীক।
একটি সুস্থ বিড়াল, দায়িত্বশীল মালিক, মানবিক সমাজ এবং আধুনিক প্রাণিচিকিৎসা ব্যবস্থা-এই চারটি লক্ষ্যকে সামনে রেখে গড়ে উঠুক একটি প্রাণীবান্ধব বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক বিড়াল দিবস হোক শুধু বিড়ালের প্রতি ভালোবাসার দিন নয়- হোক প্রতিটি প্রাণীর প্রতি আমাদের দায়িত্বের অঙ্গীকার।
লেখক: ভেটেরিনারিয়ান ও সাংগঠনিক সম্পাদক, ভেটেরিনারি ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ভ্যাব)
নিউজের জন্য: news.sangbadlive24@gmail.com